img

অভিনেতা আরিফিন শুভকে এবার বলিউড হিরো বলা যেতেই পারে। কারণ বলিউড সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’র সাফল্য তাকে নতুনত্বের পরিচয় দিয়েছে। এ সিরিজ সাফল্যে দারুণ সময় পার করছেন এ ঢালিউড অভিনেতা।  শুধু ভারতীয় দর্শকদের কাছেই নয়, বাংলাদেশেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আরিফিন শুভর চিরচেনা ইমেজের বাইরে নতুন লুক, পরিমিত অভিনয় ও সংলাপ বলার ভিন্নধর্মী ভঙ্গিতে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। সেই প্রশংসার প্রতিফলন মিলেছে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রথম সারির রিভিউতেও, যেখানে আরিফিন শুভর অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ঈদে মুক্তি পায় তার অভিনীত অ্যাকশন সিনেমা ‘মালিক’। মুক্তির পর সিনেমাটি ঈদের আলোচিত চলচ্চিত্রগুলোর একটি হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিন পর অ্যাকশন ঘরানায় এ সিনেমায় শুভকে দর্শকরাও ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।

এরই মধ্যেই আরিফিন শুভর নতুন খবর হচ্ছে— প্রথমবার জুটি বাঁধতে চলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের সঙ্গে। জাহিদ প্রীতম পরিচালিত ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমায় জুটি হয়ে কাজ করতে দেখা যাবে তাদের। এ সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর আবারও চরকির প্লাটফর্মে কাজ করছেন আরিফিন শুভ। চরকির মিনিস্ট্রি অব লাভ প্রজেক্টের ব্যানারে এটি প্রযোজনা করছে ছবিয়াল।

সমকালীন জীবনের জটিলতা, পারিবারিক সম্পর্কের চিরন্তন বন্ধন এবং সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহারকে এ কনটেন্টে এক সুতোয় বাঁধা হয়েছে বলে জানান নির্মাতা। 

জাহিদ প্রীতম বলেন, ‘কাছাকাছি সময়ের দুটি সময়ের মানুষের গল্প এটি। তারা তাদের ব্যক্তিসত্তা, পরিবার, সমাজ ও সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবেন, তার একটি প্রতিফলন পাওয়া যাবে এ সিনেমায়। আমি আশাবাদী যে, সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মধ্যে একটা উপলব্ধি আমি তৈরি করতে পারব।’

‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমায় আরিফিন শুভ অভিনয় করছেন আনিস চরিত্রে। আরিফিন শুভকে সচরাচর অ্যাকশন লুকে বা আলফা মেইল হিসেবে দেখা যায়। কিন্তু 'হ্যাপিলি ম্যারিড' সিনেমায় তাকে দেখা যাবে সিগমা মেইল (স্বাধীন, আত্মনির্ভরশীল ও একাকী জীবনযাপন করা পুরুষ) চরিত্রে।

আরিফিন শুভ বলেন, ‘উনিশ২০–এর পর চরকির সঙ্গে নতুন কাজ করছি। রম–কম ঘরানার কাজ এটি। শুধু বলার জন্য বলা না, এ রকম চরিত্রে কখনো কাজ করিনি। তিনি বলেন, দর্শকরা সাধারণত আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত, এখানে সেভাবে দেখা যাবে না। অর্থাৎ কনভেনশনাল স্ট্রং মেইল ক্যারেক্টারাইজেশন না এটা।’ আরিফিন শুভ আরও জানান, তার চরিত্রটি মফস্বলের অত্যন্ত দায়িত্বশীল এক যুবকের, যার পুরো পৃথিবী জুড়েই রয়েছে পরিবার, ছোট ভাইবোন ও প্রিয় মানুষেরা।’

সিনেমাটির মূল ভাবনা আবর্তিত হয়েছে এ যুগের এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক টানাপোড়েন কেন্দ্র করে। গল্পের এক প্রান্তে সহজ-সরল, সৎ যুবক আনিস। অন্যদিকে উচ্চবিত্ত ও আধুনিক শহুরে সংস্কৃতির চাদরে মোড়ানো তরুণী অনামিকা– এ চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল। তার চরিত্রটি আবর্তিত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার রোমাঞ্চ, সেলিব্রেটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল জগতের মোহনীয় রঙিন স্বপ্নকে ঘিরে।

এই বিভাগের আরও খবর